সাওমু রমাদান ইসলামের একটি অন্যতম রুকন ও অতীব গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত। সাওমের পুরস্কার এতটাই স্পেশাল যে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা’আলা নিজ হাতে সাওমকারীর পুরস্কার দেবেন। সাওম নানাবিধ বরকতে পরিপূর্ণ একটি ইবাদত। এর মাধ্যমে ঈমান পুনর্গঠিত হয়, ইখলাস পরিপূর্ণতা পায়, আখলাক সুন্দর হয়ে ওঠে এবং অর্জিত হয় পবিত্র তাকওয়া। ফলে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সর্বক্ষেত্রে সাধিত হয় ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন। তবে এ জন্য প্রয়োজন সাওমের সংজ্ঞা, তাৎপর্য, কল্যাণ ও বিধি-বিধান সঠিকভাবে জানা ও তা বাস্তবায়ন। “প্রশ্নোত্তরে ফিকহুস সাওম” বইটি পাঠকদের সে চাহিদার কিছুটা হলেও পূরণ করবে বলে, আশা করছি। আল্লাহ তা’আলা আমাদের সঠিক ও বিশুদ্ধ ইলম অর্জন, চর্চা ও তা বাস্তবায়ন করার তাওফীক দিন। আমীন!
ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী একাধারে একজন গবেষক, শিক্ষাবিদ, ইসলামিক স্কলার ও লেখক, অন্যদিকে তিনি একজন দা‘ঈ ইলাল্লাহ ও স্বনামধন্য মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। ইসলামী গবেষণা, ইসলাম প্রচার ও টিভি/ইউটিউব চ্যানেলে আলোচনার মাধ্যমে তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।
২০০৪ সাল থেকেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন টিভিতে তিনি ইসলামিক আলোচনা, প্রশ্নোত্তর সেশন ও উপস্থাপনায় অবদান রেখে আসছেন। দেশে ও দেশের বাইরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সেমিনার ও লেকচার সেশনে এবং বহু আন্তর্জাতিক ইসলামিক সেন্টার ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে তিনি জ্ঞানগর্ভ আলোচনা পেশ করেছেন।
তিনি বাংলাভাষা-ভাষীদের মধ্যে বিশুদ্ধ ও বস্তুনিষ্ঠ জ্ঞান ও শিক্ষা প্রসারের উদ্দেশ্যে তাইবাহ একাডেমি, ইমাম বুখারী ট্রাস্ট ও কুল্লিয়াতুল কুরআনিল কারীম ওয়াদ-দিরাসাত আল-ইসলামিয়াহ প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী ১৯৮৮ সালে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শরী‘আহ অনুষদে ভর্তি হন এবং অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে সেখান থেকে ব্যাচেলর, মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনকারী প্রথম বাংলাদেশী।
তাইবাহ একাডেমি