বইয়ের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়নি।
শায়খ ড. আব্দুর রাযযাক বিন আব্দুল মুহসিন আল বদর
আব্দুর রাযযাক বিন আব্দুল মুহসিন আল-বদর। তিনি সৌদি আরবের জুলফি প্রদেশে ২২ জিলক্বদ ১৩৮২ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন স্বনামধন্য শিক্ষক এবং তিনি মাসজিদে নববীতে নিয়মিত দারস প্রদান করে থাকেন। তিনি আক্বীদাহ বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জন করেন।
তাঁর পিতৃ পরিচয়: আব্দুর রাযযাক আল-বদর সৌদি আরবের মদীনার বিখ্যাত মুহাদ্দিস শায়খ আব্দুল মুহসিন আল-আব্বাদ রহিমাহুল্লাহ এর সন্তান। তাঁর পিতা ১৩৫৩ হিজরিতে রিয়াদের জুলফিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ‘ইমাম মুহাম্মাদ বিন সঊদ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। অতঃপর তিনি ১৩৮১ সালে ‘মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে’ শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি মাসজিদে নববীতে ১৪০৬ সালে প্রথম দারস দেওয়া শুরু করেন এবং ধারাবাহিকভাবে কুতুবুস সিত্তাহ এর দারস শেষ করেছেন। এভাবে আলফিয়া সুয়ূতী, মুকাদ্দামা ইবনে আবী যায়েদ আল-কায়রাওয়ানী ও বুলুগুল মারাম ইত্যাদির দারস দিয়ে থাকেন। তিনি প্রায় বিশ এর উর্দ্ধে বই লিখেছেন। আল্লাহ তা‘আলা শায়খকে উত্তম জাযা দান করুন ও সুস্থ রাখুন। আমীন।
তাঁর শিক্ষকমণ্ডলী: তিনি যে সকল শিক্ষকগণের নিকট থেকে জ্ঞানার্জন করেন। তাদের উল্লেখযোগ্য:
১. তাঁর পিতা শায়খ আব্দুল মুহসিন আল-আব্বাদ হাফিযাহুল্লাহ
২. আল্লামা শায়খ বিন বায রহিমাহুল্লাহ
৩. আল্লামা শায়খ ইবনে উসাইমীন রহিমাহুল্লাহ
৪. আল্লামা নাসিরুদ্দীন আলবানী রহিমাহুল্লাহ
৫. শায়খ আলী নাসির ফাক্বীহি হাফিযাহুল্লাহ
ড. যায়নুল আবেদীন বিন নুমান মাদানী
চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর থানার চর আলাতুলীর কোদালকাটি গ্রামে ১৯৯৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা নোমান আলী মেম্বার ও মাতা শামসুন নাহার (আল্লাহ তাঁদের মাফ করুন)। তিনি আট ভাই-বোনের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ।
প্রাথমিক আরবি শিক্ষা গ্রামের মক্তবে শুরু হয়। ২০০১ সালে রাজশাহীর গোদাগাড়ীর সুলতানগঞ্জে চলে আসেন এবং বিভিন্ন মাদরাসায় পড়াশোনা শেষে ২০১১ সালে দাওরায়ে হাদীসে প্রথম স্থান অর্জন করেন। সমান্তরালে দাখিল ও আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ এবং বৃত্তি পান।
২০১১ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হয়ে ২০১৫ সালে অনার্সে তৃতীয় স্থান এবং ২০১৬ সালে মাস্টার্সে প্রথম স্থান অর্জন করেন। পরবর্তীতে এম.ফিল সম্পন্ন করে ২০২২ সালে পিএইচ.ডি ডিগ্রী লাভ করেন। বর্তমানে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কুল্লিয়াতুল হাদীস বিভাগে অধ্যয়নরত।
শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি ২০১৪ সালে মাদরাসা ইশাআতুল ইসলাম আস-সালাফিয়্যাহতে শিক্ষকতা শুরু করেন। ছোটবেলা থেকেই জুমুআ খুতবা ও দাওয়াহ কাজে যুক্ত। তিনি ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরি, রাজশাহীর গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং একাধিক গ্রন্থ সংকলন, অনুবাদ ও সম্পাদনা করেছেন।
ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী
২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করা ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী বর্তমানে ইসলামি জ্ঞানচর্চা, গবেষণা এবং নির্ভরযোগ্য প্রকাশনার জগতে একটি আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে, যার নেপথ্যে রয়েছে ২০১২ সাল থেকে একদল নিষ্ঠাবান দ্বীনপ্রেমী ব্যক্তির নিরলস ত্যাগ ও আন্তরিক প্রচেষ্টা। প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আব্দুল ওয়াহীদ বিন ইউনুস-এর সুদক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত কুরআন, হাদীস, সীরাত, আকীদা এবং ইসলামি জীবনদর্শনের ওপর ভিত্তি করে প্রামাণ্য গ্রন্থ প্রকাশ ও সংরক্ষণে নিয়োজিত। আমাদের রয়েছে স্বতন্ত্র গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগ, যেখানে প্রাচীন ও আধুনিক জ্ঞানতাত্ত্বিক আলোচনার সমন্বয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে তথ্য ও বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি আমাদের সমৃদ্ধ বিক্রয় বিভাগে সালাফি মানহাজভিত্তিক সহীহ আকীদা-নির্ভর গ্রন্থাবলি এবং কওমী মাদরাসার সিলেবাসভুক্ত মূল আরবি ইসলামি কিতাবসমূহের এক বিশাল ও নির্ভরযোগ্য সংগ্রহ রয়েছে, যা পাঠকদের জ্ঞানের পিপাসা মেটাতে এবং জীবনকে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে আলোকিত করতে নিরন্তর সহায়তা করে যাচ্ছে। বর্তমানে ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী এর ৩ টি অফলাইন শাখা রয়েছে যার প্রধান শাখা রাজশাহীর প্রানকেন্দ্র রানীবাজার ও ২য় শাখা সাহেববাজারে অবস্থিত ও ৩য় শাখা রাজধানী ঢাকা সদরের বইয়ের রাজধানী বাংলাবাজারে অবস্থিত।