নাস্তিকদের প্রধান অস্ত্র হলো বিজ্ঞান এবং দর্শন। এ দুটো বিষয়ের মারপ্যাঁচে তারা এমন একটা ভাব দাঁড় করাতে চায় যেন দুনিয়ার তাবত বিজ্ঞান আর দর্শনের মূলমন্ত্র হলো একটাই—ধর্ম হটাও। আসলেই কি তা-ই? বিজ্ঞান কি সত্যিই খেদিয়ে বিদেয় করে দেয় ধর্মকে? দর্শন কি আসলেই অবান্তর বলে মানুষের ধর্ম বিশ্বাসকে?
বিজ্ঞানের যে ব্যাপারগুলোকে রংচং মাখিয়ে, দর্শনের যে বিষয়গুলোকে ধর্মের বিরুদ্ধে নাস্তিকেরা দাঁড় করাত, ঠিক সেই বিষয়গুলোকে সামনে রেখে একে একে সেগুলোর অপনোদন করা হয়েছে এই বইতে। সেই সাথে সত্য ধর্ম আর সত্য উপাস্যের দিকেও আহ্বান করা হয়েছে এখানে।
‘দি ডিভাইন রিয়ালিটি’ নাস্তিকতা বিষয়ক একাডেমিক বই। কোন্দল-দ্বন্দ্বে না জড়িয়ে অতি সুচারু রূপে নাস্তিকদের যাবতীয় প্রশ্ন, ভণ্ডুল মতামত এবং বিতর্ক অপনোদন করেছেন ইংরেজি ভাষার লেখক উস্তাদ হামজা জর্জিস। বাংলাভাষায় এবং বাংলাদেশে নাস্তিকদের বিষয়াদি নিয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক বই প্রকাশের নিমিত্তে আপাত-দৃষ্টিতে নাস্তিকেরা কিছুটা দমে থাকলেও এখনো পুরোপুরি ‘নিষ্কাশণ’ সম্ভব হয়ে ওঠেনি; কোনো একটা মতবাদ সমাজে স্থান পেয়ে গেলে তার ভ্রান্তির রেশ ধরে সমূলে উপড়ে ফেলা সম্ভবও না। এই নিমিত্তে উস্তাদ হামজা জর্জিসের বইটি শুধু নাস্তিকদের দমাবার জন্য নয়, আমাদের ঘরে-বাইরে ভাই-বন্ধুরা যারা সংশয়ে ভুগছে, নাস্তিকদের প্রোপাগাণ্ডাগুলো শুনে শুনে প্রভাবিত হয়ে পড়ছে, তারা ‘দা ডিভাইন রিয়ালিটি’ পড়ে ঠাণ্ডা মাথায় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। ইসলামের সুমহান জীবনদর্শন ও সুমার্জিত ব্যবস্থাপনায় নিজেকে সঁপে দিয়ে নিশ্চিন্ত হবার প্রয়াস গ্রহণ করতে ‘দা ডিভাইন রিয়ালিটি’ হবে উত্তম সহযোগী।
সিয়ান পাবলিকেশন
প্রামাণিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বিশ্বমানের, জ্ঞানভিত্তিক বই প্রকাশে সিয়ান পাবলিকেশন (SEAN Publication) প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠার পর থেকে, সিয়ান পাবলিকেশন এমন প্রকাশনা তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে যা বিশ্বস্তরে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম।
এই সংস্থার মূল লক্ষ্য হলো মানবতার কল্যাণ, বিশ্বশান্তি প্রচার এবং একতা বৃদ্ধিতে অর্থবহ অবদান রাখা। ইসলামী জীবনব্যবস্থার ওপর আলোকপাত করা, ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারণাগুলো দূর করা এবং পারিবারিক ও নৈতিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে বই রচনার মাধ্যমে তারা এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করে। এছাড়াও, সিয়ান পাবলিকেশন নেতৃত্ব বিকাশ, উদ্যোক্তা মানসিকতা, শিক্ষা, বিশ্লেষণমূলক চিন্তাভাবনা এবং আজীবন জ্ঞান অন্বেষণের মতো বিষয়গুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে।