আশ্চর্যের বিষয় এটা নয়, বহু মানুষ পরকাল ও তার শাস্তির ওপর ঈমান রাখে না। বরং আশ্চর্যের বিষয় হলো, একজন মুমিনের ঈমান ও ইয়াকীন দুটোই রয়েছে, কিন্তু এগুলো তার কোনো উপকারে আসছে না।’
ঈমান নিয়ে বড়ই ভীতিকর কথা বলেছেন ইবনুল-জাওযী রহিমাহুল্লাহ। বিষয়টি বড়ই চিন্তার। কারণ, আমরা প্রায়ই দেখি, মনে ঈমান আছে দাবী করলেও সেই ঈমানের কোনো নাম ঘন্ধ নেই আমাদের ভিতর। আমল কমতে কমতে এমন দুরূহ অবস্থা হয়েছে যে, একটু অতিরিক্ত আমল করার আগ্রহটুকুও আর আসে না। ফরজ ইবাদতগুলো হয়ে গেছে দায়সারা। কেন?
ঈমানী দুর্বলতা। তবে ঈমান যেমন কমে, তেমনি এটি বাড়ানও যায়। কী করলে ঈমান বাড়ে আর কী করলে কমে—এসব নিয়েই লেখা ‘ঈমান পরিচর্যা’ বইটি। নির্লিপ্ত ঈমানকে চাঙ্গা করতে এবং ঘন ঘন দুর্বল হবার হাত থেকে রেহাই দিতে বইটি টনিকের মতো কাজ করবে ইনশাআল্লাহ্।
শায়খ ড. আব্দুর রাযযাক বিন আব্দুল মুহসিন আল বদর
আব্দুর রাযযাক বিন আব্দুল মুহসিন আল-বদর। তিনি সৌদি আরবের জুলফি প্রদেশে ২২ জিলক্বদ ১৩৮২ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন স্বনামধন্য শিক্ষক এবং তিনি মাসজিদে নববীতে নিয়মিত দারস প্রদান করে থাকেন। তিনি আক্বীদাহ বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জন করেন।
তাঁর পিতৃ পরিচয়: আব্দুর রাযযাক আল-বদর সৌদি আরবের মদীনার বিখ্যাত মুহাদ্দিস শায়খ আব্দুল মুহসিন আল-আব্বাদ রহিমাহুল্লাহ এর সন্তান। তাঁর পিতা ১৩৫৩ হিজরিতে রিয়াদের জুলফিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ‘ইমাম মুহাম্মাদ বিন সঊদ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। অতঃপর তিনি ১৩৮১ সালে ‘মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে’ শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি মাসজিদে নববীতে ১৪০৬ সালে প্রথম দারস দেওয়া শুরু করেন এবং ধারাবাহিকভাবে কুতুবুস সিত্তাহ এর দারস শেষ করেছেন। এভাবে আলফিয়া সুয়ূতী, মুকাদ্দামা ইবনে আবী যায়েদ আল-কায়রাওয়ানী ও বুলুগুল মারাম ইত্যাদির দারস দিয়ে থাকেন। তিনি প্রায় বিশ এর উর্দ্ধে বই লিখেছেন। আল্লাহ তা‘আলা শায়খকে উত্তম জাযা দান করুন ও সুস্থ রাখুন। আমীন।
তাঁর শিক্ষকমণ্ডলী: তিনি যে সকল শিক্ষকগণের নিকট থেকে জ্ঞানার্জন করেন। তাদের উল্লেখযোগ্য:
১. তাঁর পিতা শায়খ আব্দুল মুহসিন আল-আব্বাদ হাফিযাহুল্লাহ
২. আল্লামা শায়খ বিন বায রহিমাহুল্লাহ
৩. আল্লামা শায়খ ইবনে উসাইমীন রহিমাহুল্লাহ
৪. আল্লামা নাসিরুদ্দীন আলবানী রহিমাহুল্লাহ
৫. শায়খ আলী নাসির ফাক্বীহি হাফিযাহুল্লাহ
প্রকাশনীর বিস্তারিত পরিচিতি পাওয়া যায়নি।