সিরিয়ার যুগশ্রেষ্ঠ হাদীছ বিশারদ পন্ডিত এবং ছহীহ হাদীছ সমূহকে বাছাই করে একত্রিতভাবে জগত সমক্ষে তুলে ধরার অনন্য কৃতিত্বের অধিকারী মুহাদ্দিছ নাছেরুদ্দীন আলবানী (১৯১৪-১৯৯৯) শিষ্যদের ৯টি প্রশ্নের বাণীবদ্ধ জওয়াব দিয়েছিলেন। যা তাঁর সংযুক্তি ও অনুমতিক্রমে প্রথম পুস্তিকাকারে প্রকাশ করে জর্ডানের রাজধানী আম্মানের ‘আল-মাকতাবাতুল ইসলামিয়াহ’ নামক প্রতিষ্ঠান ১৪২১ হিজরী সনে (২০০১খৃঃ)। আমরা তাদের শুকরিয়া আদায় করছি।
প্রশ্ন এবং উত্তরগুলি অত্যন্ত শিক্ষণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হওয়ায় মাননীয় পরিচালক কারাগারে থাকতেই যে প্রায় পাঁচ হাযার পৃষ্ঠার বিশাল পান্ডুলিপি রচনা করেন, তন্মধ্যে ‘ইনসানে কামেল’, ২৫ জন নবীর কাহিনী, পবিত্র কুরআনের কয়েক পারা-র তাফসীর, মিশকাতের প্রথম কয়েকটি অধ্যায়ের অনুবাদ ও ব্যাখ্যার সাথে সাথে অত্র বইটির অনুবাদও সমাপ্ত করেন। যা পরে মাসিক আত-তাহরীক অক্টোবর-ডিসে’০৯ পরপর তিন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। এক্ষণে আমরা তা বই আকারে প্রকাশ করতে পেরে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। যাতে সর্বস্তরের বাংলাভাষী পাঠক উপকৃত হন এবং মরহুম শায়েখ পরজগতে তাঁর ইলমী ছাদাক্বার নেকী লাভে ধন্য হন। আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসে স্থান দানে সম্মানিত করুন এবং মযলূম অনুবাদককে ইহকালে ও পরকালে উত্তম জাযা দান করুন- আমীন!
শাইখ নাসিরুদ্দীন আলবানী রহিমাহুল্লাহ
হাদীস ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ
হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ কর্তৃক পরিচালিত পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক গবেষণা ও প্রকাশনা সংস্থা। নির্ভেজাল তাওহীদ ও ছহীহ সুন্নাহ্র আলোকে সমাজকে ঢেলে সাজানোর লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯২ সালে সংস্থাটির পথচলা শুরু হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব। সংস্থাটির অধীনে নিয়মিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বইসমূহ প্রকাশিত হয়। এর অধীনে হাদীছ ফাউণ্ডেশন শিক্ষা বোর্ড, দারুল ইফতা, মাসিক আত-তাহরীক পত্রিকা, আত-তাহরীক অনলাইন টিভি, বিশিষ্ট আলেমদের অডিও-ভিডিও ইত্যাদি নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হয়। এছাড়া বিভিন্ন দাওয়াতী লিফলেট, দেওয়ালপত্র, প্রচারপত্র ইত্যাদি নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হয়।