কিশোর বয়স বড় অদ্ভুত একটা সময়। এ বয়সে শরীর-মন সবই থাকে উচ্ছ্বল-প্রাণবন্ত। প্রাণপ্রাচুর্যে ভরা এ বয়সটাকে তাই পরবর্তী জীবনে স্বপ্নের মতোই লাগে।
পা পিছলে যাবার শুরুটাও হয় এ বয়সেই। অনাবিল মন-মস্তিষ্ক আবিলতায় ছেয়ে যায় উপযুক্ত সাহচর্য না পেলে। ক্লান্তিহীন প্রাণ ক্লেদাক্ত হয়ে পড়ে অসৎসঙ্গে—আর তাতেই ঘটে সর্বনাশ!
এ সর্বনাশের নাগপাশ এড়াতে চাইলে উচ্ছ্বল এ বয়সেই দ্বীনি চিন্তা-চেতনার চর্চা প্রয়োজন। আর চর্চার জন্যে চাই অনুসন্ধিৎসু মন। ‘স্বপ্ন-রঙিন দিন’ উপন্যাসটির প্লট সাজানো হয়েছে সেরকমই কিছু জিজ্ঞাসু কিশোর চরিত্রকে ঘিরে। কেন্দ্রীয় চরিত্র মাহমুদ কীভাবে তার ভাইয়ার কাছ থেকে দ্বীন ও দ্বীনি চেতনা সম্পর্কে দীক্ষা পায়, তা-ই আমরা দেখব সুলিখিত এই উপন্যাসের মাধ্যমে।
কিশোর ও তরুণ বয়েসী পাঠকেরাও এতে পাবে অনেক জানা-বোঝার খোরাক।
সন্দীপন প্রকাশন লিমিটেড
মক্কার কাফিররা চক্রান্ত করেছিল। কাউকে নবিজির কাছে আসতে দিত না, তাঁর কথা কাউকে শুনতে দিত না, তাঁর নামে প্রোপাগান্ডা ছড়াত। জাদুকর, পাগল, জিনে ধরা, আরও বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে মানুষকে তাঁর কাছে ভিড়তে দিত না। কিন্তু এগুলোই তাদের জন্য বুমেরাং হয়ে ধরা দিত। কাফিরদের এসব প্রোপাগান্ডা শুনে কিছু মানুষ নবিজির কথা শোনার জন্য উলটো আগ্রহী হয়ে উঠত। আর নবিজির মুখ থেকে কুরআনের বাণী শুনে তৎক্ষণাৎ ঈমানের ঘোষণা দিয়ে দিত। যুগে যুগে ইবলিসের দোসররা সত্যের দীপ্ত শিখা নিভিয়ে দেবার জন্য চেষ্টার কমতি করেনি। পূর্বসূরিদের মতো বর্তমানের অন্ধকারের পথযাত্রীরাও পিছিয়ে নেই তাতে। মুসলিম জাতিকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে দেউলিয়া করে সত্যের আলো নিভিয়ে দেবার চেষ্টা করে যাচ্ছে তারাও। সাহিত্যের মাধ্যমে মানুষের মনে গেঁথে দিচ্ছে তাদের ইসলামবিদ্বেষের বিষবাষ্প। আল্লাহ তাআলা এই সাহিত্যকেই তাদের জন্য বুমেরাং করে দিলেন। এক ঝাঁক তরুণ প্রাণ সাহিত্যের মাধ্যমেই সত্যের বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে শুরু করল। সত্যের দীপ্ত শিখা জ্বালাবার শপথ নিয়ে সেই কাফেলায় যুক্ত হলো সন্দীপন। আত্ম—উন্নয়নমূলক, অনুপ্রেরণামূলক, ইতিহাস ও সংশয় নিরসন ইত্যাদি সামসময়িক বিভিন্ন টপিকসহ আমরা কাজ করে যাচ্ছি কুরআন, হাদীস, তাফসির ও সালাফদের বিভিন্ন খিদমত বাংলাভাষী মুসলিমদের হাতে পৌঁছে দিতে। পরিবার ও সন্তান প্রতিপালন সম্পর্কিত জীবনঘনিষ্ঠ বই নিয়েও কাজ করে যাচ্ছি আমরা। শিশুতোষ সাহিত্য নিয়ে সন্দীপনের রয়েছে অনন্য পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টা। বাংলাভাষী মুসলিমদের কল্যাণে সন্দীপন প্রকাশন—এর এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। প্রিয় পাঠক, সত্যের দীপ্ত শিখা জ্বালাবার এই সফরে স্বাগত আপনাকেও। সন্দীপনের সাথেই থাকুন