মুসলিম নারীদের আদর্শ কারা?
বিশ্বসুন্দরী হবার নামে মিস ওয়ার্ল্ড কিংবা সুন্দরী প্রতিযোগিতায় নিজেদের ইজ্জত-আব্রু বিকিয়ে দেওয়া বেহায়া নারীরা কি মুসলিম নারীদের আদর্শ হতে পারে? কিংবা নারীবাদের বিষাক্ত থাবায় নারীত্ব হারানো কোনো ‘নারী’?
সোজা বাংলায় উত্তর হচ্ছে, না। মুসলিম নারীদের আদর্শ তো তারাই, যাদের প্রতি তাঁদের রব সন্তুষ্ট হয়ে গিয়েছেন। যাদের ব্যাপারে তাঁদের রব কুরআনে সন্তুষ্টির ঘোষণা দিয়েছেন। হ্যাঁ, মুসলিম নারীদের আদর্শ হলো রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পবিত্র স্ত্রী এবং তঁদের সান্নিধ্যপ্রাপ্ত নারী সাহাবিগণ। তাকওয়া, যুহদ, আমলদারিতা থেকে শুরু করে শিক্ষাদীক্ষা, আদব-আখলাক, সামাজিকতা সকল বিষয়ে তাঁরাই ছিলেন সেরা। ধর্মীয়, চারিত্রিক কিংবা সামাজিক ও জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলিম নারীদের জন্য তাঁরাই সর্বোত্তম আদর্শ। রদিয়াল্লাহ আনহুন্না।
বক্ষ্যমাণ বইটিতে সেইসব মহীয়সী নারীদের জীবনাচার আলোকপাত করা হয়েছে। বইটি পড়ে আমাদের মা-জাতি রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সান্নিধ্যে সিক্ত উম্মাহাতুল মুমিনীন এবং নারী সাহাবিদের আদর্শে আলোকিত হতে অনুপ্রেরণা পাবে। তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে নির্ভেজাল মুসলিম চরিত্র, ইসলামি সভ্যতা ও সমাজব্যবস্থার আদলে নিজেদেরকে গড়ে তুলবে ইনশাআল্লাহ।
লেখকের বিস্তারিত পরিচিতি পাওয়া যায়নি।
সন্দীপন প্রকাশন লিমিটেড
মক্কার কাফিররা চক্রান্ত করেছিল। কাউকে নবিজির কাছে আসতে দিত না, তাঁর কথা কাউকে শুনতে দিত না, তাঁর নামে প্রোপাগান্ডা ছড়াত। জাদুকর, পাগল, জিনে ধরা, আরও বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে মানুষকে তাঁর কাছে ভিড়তে দিত না। কিন্তু এগুলোই তাদের জন্য বুমেরাং হয়ে ধরা দিত। কাফিরদের এসব প্রোপাগান্ডা শুনে কিছু মানুষ নবিজির কথা শোনার জন্য উলটো আগ্রহী হয়ে উঠত। আর নবিজির মুখ থেকে কুরআনের বাণী শুনে তৎক্ষণাৎ ঈমানের ঘোষণা দিয়ে দিত। যুগে যুগে ইবলিসের দোসররা সত্যের দীপ্ত শিখা নিভিয়ে দেবার জন্য চেষ্টার কমতি করেনি। পূর্বসূরিদের মতো বর্তমানের অন্ধকারের পথযাত্রীরাও পিছিয়ে নেই তাতে। মুসলিম জাতিকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে দেউলিয়া করে সত্যের আলো নিভিয়ে দেবার চেষ্টা করে যাচ্ছে তারাও। সাহিত্যের মাধ্যমে মানুষের মনে গেঁথে দিচ্ছে তাদের ইসলামবিদ্বেষের বিষবাষ্প। আল্লাহ তাআলা এই সাহিত্যকেই তাদের জন্য বুমেরাং করে দিলেন। এক ঝাঁক তরুণ প্রাণ সাহিত্যের মাধ্যমেই সত্যের বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে শুরু করল। সত্যের দীপ্ত শিখা জ্বালাবার শপথ নিয়ে সেই কাফেলায় যুক্ত হলো সন্দীপন। আত্ম—উন্নয়নমূলক, অনুপ্রেরণামূলক, ইতিহাস ও সংশয় নিরসন ইত্যাদি সামসময়িক বিভিন্ন টপিকসহ আমরা কাজ করে যাচ্ছি কুরআন, হাদীস, তাফসির ও সালাফদের বিভিন্ন খিদমত বাংলাভাষী মুসলিমদের হাতে পৌঁছে দিতে। পরিবার ও সন্তান প্রতিপালন সম্পর্কিত জীবনঘনিষ্ঠ বই নিয়েও কাজ করে যাচ্ছি আমরা। শিশুতোষ সাহিত্য নিয়ে সন্দীপনের রয়েছে অনন্য পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টা। বাংলাভাষী মুসলিমদের কল্যাণে সন্দীপন প্রকাশন—এর এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। প্রিয় পাঠক, সত্যের দীপ্ত শিখা জ্বালাবার এই সফরে স্বাগত আপনাকেও। সন্দীপনের সাথেই থাকুন