মুসলিম উম্মাহ বর্তমান সময়ের মতো ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সময় আগে কখনও কাটায়নি। একের-পর-এক বিপদের মধ্য দিয়ে আমাদের দিনমান অতিবাহিত হচ্ছে। দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের আর্তচিৎকারে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে আসছে। পুরো বিশ্বেই এই উম্মাহর সদস্যরা বিপদের ঘোর অমানিশায় দিন কাটাচ্ছে। . এ ঘোর অমানিশা কাটিয়ে সাফল্যের সূর্যোদয় তখনই হবে, যখন আমরা সেই বিপদরূপী অন্ধকারের স্বরূপ অনুধাবন করতে পারব। জানতে পারব আমাদের করণীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে। “বিপদ যখন নিয়ামাত” বইতে সংক্ষিপ্ত পরিসরে সেই অন্ধকার কাটানোর জন্যে প্রয়োজনীয় কিছু দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দেওয়া হয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নাসীহা, যাতে আমরা কঠিনতম বিপদের মুহূর্তেও অবিচল থাকতে পারি। আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের মধ্যমে ছিনিয়ে আনতে পারি সাফল্যের লাল সূর্য।
সন্দীপন প্রকাশন লিমিটেড
মক্কার কাফিররা চক্রান্ত করেছিল। কাউকে নবিজির কাছে আসতে দিত না, তাঁর কথা কাউকে শুনতে দিত না, তাঁর নামে প্রোপাগান্ডা ছড়াত। জাদুকর, পাগল, জিনে ধরা, আরও বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে মানুষকে তাঁর কাছে ভিড়তে দিত না। কিন্তু এগুলোই তাদের জন্য বুমেরাং হয়ে ধরা দিত। কাফিরদের এসব প্রোপাগান্ডা শুনে কিছু মানুষ নবিজির কথা শোনার জন্য উলটো আগ্রহী হয়ে উঠত। আর নবিজির মুখ থেকে কুরআনের বাণী শুনে তৎক্ষণাৎ ঈমানের ঘোষণা দিয়ে দিত। যুগে যুগে ইবলিসের দোসররা সত্যের দীপ্ত শিখা নিভিয়ে দেবার জন্য চেষ্টার কমতি করেনি। পূর্বসূরিদের মতো বর্তমানের অন্ধকারের পথযাত্রীরাও পিছিয়ে নেই তাতে। মুসলিম জাতিকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে দেউলিয়া করে সত্যের আলো নিভিয়ে দেবার চেষ্টা করে যাচ্ছে তারাও। সাহিত্যের মাধ্যমে মানুষের মনে গেঁথে দিচ্ছে তাদের ইসলামবিদ্বেষের বিষবাষ্প। আল্লাহ তাআলা এই সাহিত্যকেই তাদের জন্য বুমেরাং করে দিলেন। এক ঝাঁক তরুণ প্রাণ সাহিত্যের মাধ্যমেই সত্যের বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে শুরু করল। সত্যের দীপ্ত শিখা জ্বালাবার শপথ নিয়ে সেই কাফেলায় যুক্ত হলো সন্দীপন। আত্ম—উন্নয়নমূলক, অনুপ্রেরণামূলক, ইতিহাস ও সংশয় নিরসন ইত্যাদি সামসময়িক বিভিন্ন টপিকসহ আমরা কাজ করে যাচ্ছি কুরআন, হাদীস, তাফসির ও সালাফদের বিভিন্ন খিদমত বাংলাভাষী মুসলিমদের হাতে পৌঁছে দিতে। পরিবার ও সন্তান প্রতিপালন সম্পর্কিত জীবনঘনিষ্ঠ বই নিয়েও কাজ করে যাচ্ছি আমরা। শিশুতোষ সাহিত্য নিয়ে সন্দীপনের রয়েছে অনন্য পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টা। বাংলাভাষী মুসলিমদের কল্যাণে সন্দীপন প্রকাশন—এর এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। প্রিয় পাঠক, সত্যের দীপ্ত শিখা জ্বালাবার এই সফরে স্বাগত আপনাকেও। সন্দীপনের সাথেই থাকুন