একটু পড়ে দেখুন
কুরআন ও কলেমাখানী : সমস্যা সমাধান

কুরআন ও কলেমাখানী : সমস্যা সমাধান

পৃষ্ঠা সংখ্যা: 72 পৃষ্ঠা
ভাষা: আরবী-বাংলা
বাইন্ডিং: পেপারব্যাক
দেশ: বাংলাদেশ
৳ 35
স্টকে আছে
শেয়ার করুন:
সম্পর্কিত বই
সব দেখুন
মৃতদের জন্য করণীয় বর্জনীয়
মৃতদের জন্য করণীয় বর্জনীয়
মুহাম্মদ ইস্রাফিল হোসাইন
৳ 220 ৳ 154
কুরআন থেকে আহরিত জীবনের পাঠ
কুরআন থেকে আহরিত জীবনের পাঠ
উস্তাদ নোমান আলী খান
৳ 230 ৳ 219
পড়ো-৫
পড়ো-৫
ওমর আল জাবির
৳ 268 ৳ 188

মানুষের নিজের সৎকর্মের পুরস্কার এবং অসৎকর্মের শাস্তি মানুষ নিজেই ভোগ করবে। মৃত্যুর সাথে সাথে তার সমস্ত আমলের দরজা বন্ধ হয়ে যায়। তবে তার জীবদ্দশায় কৃত তিনটি নেক আমলের ছওয়াব মৃত্যুর পরেও জারী থাকে। যা তার আমলনামায় যুক্ত হয়। সে তিনটি হ’ল (১) ছাদাক্বায়ে জারিয়াহ (২) এমন ইল্ম যা থেকে মানুষের কল্যাণ লাভ হয় (৩) সুসন্তান যে তার জন্য দো‘আ করে’।[1] সন্তানের দো‘আ পিতা-মাতার জন্য ছাদাক্বায়ে জারিয়াহ স্বরূপ। অমনিভাবে মুমিনের জন্য মুমিনের দো‘আ এবং পূর্ববর্তীদের জন্য পরবর্তীদের দো‘আ সবই ছাদাক্বায়ে জারিয়াহ (হাশর ৫৯/১০)।


আরও দু’টি বিষয়ের কথা ছহীহ হাদীছে পাওয়া যায়। একটি হ’ল, মাইয়েতের পক্ষ থেকে হজ্জ করা। যদি সক্ষমতা থাকে এবং যদি সে নিজের হজ্জ আগে করে থাকে’।[2] যাকে ‘হজ্জে বদল’ বা বদলী হজ্জ বলা হয়। আরেকটি হ’ল ছিয়াম রাখা। যদি সেটি মাইয়েতের মানতের ছিয়াম হয়’ (ইবনু মাজাহ হা/১৭৫৮)। অবশ্য এর বিনিময়ে উত্তরাধিকারীগণ ফিদইয়া দিতে পারেন। তা হ’ল দৈনিক একজন মিসকীনকে খাওয়ানো। যার পরিমাণ দৈনিক এক মুদ বা সিকি ছা‘ গম (অথবা চাউল)’।[3] তবে ইবনু ওমর (রাঃ) বলেন, لاَ يَصُومُ أَحَدٌ عَنْ أَحَدٍ وَلاَ يُصَلِّي أَحَدٌ عَنْ أَحَدٍِِِِ ‘কেউ কারো পক্ষ থেকে ছিয়াম রাখতে পারে না বা ছালাত আদায় করতে পারে না’।[4] কারণ এগুলি দৈহিক ইবাদত। যা জীবদ্দশায় যেমন কাউকে দেওয়া যায় না, মৃত্যুর পরেও তেমনি কাউকে দেওয়া যায় না। বরং আমল যার ফল তার। আল্লাহ বলেন, مَنْ عَمِلَ صَالِحًا فَلِنَفْسِهِ وَمَنْ أَسَاءَ فَعَلَيْهَا، ‘যে ব্যক্তি নেক আমল করল, সেটি তার নিজের জন্যই করল। আর যে ব্যক্তি মন্দ কর্ম করল, তার পাপ তার উপরেই বর্তাবে’ (হা-মীম সাজদাহ/ফুছছিলাত ৪১/৪৬)। অতএব অন্যের কোন নেক আমল মাইয়েতের আমলনামায় যোগ হবে না। কেবল অতটুকু ব্যতীত, যেটুকু বিষয় উপরে বর্ণিত হয়েছে। 


প্রচলিত ‘কুরআন ও কলেমাখানী’ অর্থাৎ পুরা কুরআন পাঠ করে ও এক লক্ষ বার কালেমা তাইয়েবা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়ে মাইয়েতের উপর তার ছওয়াব বখ্শে দেওয়া বা ঈছালে ছওয়াবের প্রথা ইসলামের নামে একটি বিদ‘আতী প্রথা মাত্র। যাকে এদেশে ‘লাখ কালেমা’ বলা হয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরামের যামানায় এর কোন অস্তিত্ব ছিল না। স্বর্ণযুগের পর ভ্রষ্টতার যুগে অমুসলিমদের দেখাদেখি এগুলি মুসলিম সমাজে প্রবেশ করেছে। অনেকে হজ্জ ও ছিয়ামের বিষয়টিকে ঈছালে ছওয়াবের দলীল হিসাবে পেশ করে থাকেন। অথচ শরী‘আতে মাল ‘হেবা’ করার দলীল আছে। কিন্তু ছওয়াব ‘হেবা’ করার দলীল নেই। যেমন বদলী হজ্জকারী বলেন, ‘লাববাইক ‘আন ফুলান’ (অমুকের পক্ষ হ’তে আমি হাযির)। এখানে যদি কেউ নিজের হজ্জ করার পরে বলে যে, আমার এই হজ্জের নেকী অমুককে দিলাম। তবে সেটি গ্রহণযোগ্য হবে না। কারণ নিজের হজ্জের নেকী সে নিজে পাবে, অন্যে পাবে না। আর ছওয়াব হ’ল আমলের প্রতিদান মাত্র। যেমন আল্লাহ বলেন, جَزَاءً بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ‘(বান্দাগণ পাবে) তাদের কৃতকর্মের পুরস্কার স্বরূপ’ (সাজদাহ ৩২/১৭)।


বস্ত্ততঃ কুরআন এসেছিল জীবিতদের পথ দেখানোর জন্য (ইয়াসীন ৩৬/৭০); মৃতদের জন্য নয়। আব্দুর রহমান বিন শিবল (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, إِقْرَءُوا الْقُرْآنَ وَلاَ تَغْلُوا فِيهِ وَلاَ تَجْفُوا عَنْهُ وَلاَ تَأْكُلُوا بِهِ وَلاَ تَسْتَكْثِرُوا بِهِ- ‘তোমরা কুরআন পাঠ কর। এতে বাড়াবাড়ি করো না এবং এর তেলাওয়াত থেকে দূরে থেকো না। এর মাধ্যমে তোমরা খেয়ো না ও সম্পদ বৃদ্ধি করো না’।[5] অথচ ‘কুলখানী’ ও ‘কুরআনখানী’ প্রভৃতির মাধ্যমে কুরআন এখন আমাদের খাদ্য ও সম্পদ বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। এতে কুরআন আমাদের জন্য শাফা‘আত করবে না। বরং লা‘নত করবে। এজন্যেই প্রবাদ বাক্য চালু হয়েছে, رُبَّ تَالٍ لِلْقُرْآنِ وَالْقُرْآنُ يَلْعَنُهُ ‘বহু কুরআন তেলাওয়াতকারী আছে, কুরআন যাদের উপর লা‘নত করে থাকে’। যেমন খারেজী চরমপন্থীদের সম্পর্কে রাসূল (ছাঃ) বলেছেন,يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ وَلاَ يُجَاوِزُ حَنَاجِرَهُمْ، ‘তারা কুরআন তেলাওয়াত করবে। কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না...’।[6] অর্থাৎ কুরআনের প্রকৃত মর্ম তারা অনুধাবন করবে না। ফলে কুরআন আগমনের উদ্দেশ্য বিরোধী কাজে তারা কুরআনকে ব্যবহার করবে। এ কারণেই রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, إِنَّ اللهَ يَرْفَعُ بِهَذَا الْكِتَابِ أَقْوَامًا وَيَضَعُ بِهِ آخَرِينَ ‘আল্লাহ এই কিতাব দ্বারা বহু দলকে উঁচু করেন ও বহু দলকে নীচু করেন’ (মুসলিম হা/৮১৭; মিশকাত হা/২১১৫)। 


পতন যুগে মুসলিম সমাজে ইসলামের নামে বহু কিছু চালু হয়েছে। যা আদৌ ইসলামী প্রথা নয়। এ বিষয়ে মূলনীতি হিসাবে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, مَنْ أَحْدَثَ فِى أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ مِنْهُ فَهُوَ رَدٌّ ‘যে ব্যক্তি আমাদের শরী‘আতে নতুন কিছু উদ্ভাবন করল, যা তার মধ্যে নেই, তা প্রত্যাখ্যাত’।[7]




[1]. মুসলিম হা/১৬৩১; মিশকাত হা/২০৩ ‘ইলম’ অধ্যায়। এছাড়াও দ্রষ্টব্য : ইবনু মাজাহ হা/২৪২, ৩৬৬০; আহমাদ হা/১০৬১৮; মিশকাত হা/২৫৪, ২৩৫৪; ছহীহাহ হা/১৫৯৮।


[2]. আবুদাঊদ হা/১৮১১; ইবনু মাজাহ হা/২৯০৩; মিশকাত হা/২৫২৯।


[3]. বায়হাক্বী হা/৮০০৪-০৬, ৪/২৫৪, সনদ ছহীহ; হেদায়াতুর রুওয়াত হা/১৯৭৭, ২/৩৩৬ পৃ.; মির‘আত হা/২০৫৪-এর ব্যাখ্যা, ৭/৩২ পৃ.; ইরওয়া হা/১৩৯, ১/১৭০ পৃ.।


[4]. মুওয়াত্ত্বা হা/১০৬৯, পৃ. ৯৪; মিশকাত হা/২০৩৫ ‘ছওম’ অধ্যায় ‘ক্বাযা’ অনুচ্ছেদ; বায়হাক্বী হা/৮০০৪, ৪/২৫৪। 


[5]. আহমাদ হা/১৫৫৬৮; ছহীহাহ হা/৩০৫৭।


[6]. মুসলিম হা/১০৬৬ (১৫৪); সীরাতুর রাসূল (ছাঃ) ৩য় মুদ্রণ ৫৭৫ পৃ.।


[7]. মুসলিম হা/১৭১৮; বুখারী হা/২৬৯৭; মিশকাত হা/১৪০।

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব

ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব

(জন্ম: ১৫ জানুয়ারি ১৯৪৮, সাতক্ষীরা

ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ, শিক্ষাবিদ, গবেষক ও আহলেহাদীছ আন্দোলনের আমীর। তিনি জাতীয় ধর্মীয় সংগঠন ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’ এবং গবেষণাধর্মী মাসিক ‘আত-তাহরীক’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৬ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগ থেকে অধ্যাপক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।

তিনি সাতক্ষীরা জেলার বুলারাটি গ্রামের এক সম্মানিত ধর্মীয় পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ছিলেন বিখ্যাত আলেম ও সমাজ সংস্কারক মাওলানা আহমাদ আলী এবং মাতা ছিলেন পুণ্যবতী মহিলা বছীরুন্নেসা। ১৯৭৯ সালে তিনি তাহেরুন্নেছার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের চার সন্তান—ডা. তামান্না তাসনীম, ড. আহমাদ আব্দুল্লাহ ছাকিব, ড. আহমাদ আব্দুল্লাহ নাজীব ও হাফেয আহমাদ আব্দুল্লাহ শাকির।

প্রাথমিক শিক্ষা পিতার তত্ত্বাবধানে শুরু করে ক্রমান্বয়ে কাকডাঙ্গা মাদরাসা ও আরামনগর আলিয়া মাদরাসা থেকে কামিল (মুহাদ্দিছ) পরীক্ষায় পঞ্চম স্থান অর্জন করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগ থেকে ১৯৭৬ সালে মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন এবং ১৯৯২ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচ.ডি ডিগ্রি লাভ করেন।

তিনি ধর্মীয় ও সামাজিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, যেমন—বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুবসংঘ, আহলেহাদীছ মহিলা সংস্থা, তাওহীদ ট্রাস্ট, হাদীছ ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ, সালাফিয়া ট্রাস্ট ও ইসলামিক কমপ্লেক্স।

ড. গালিবের রচিত ও অনূদিত গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় অর্ধশতাধিক। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ হলো আহলেহাদীছ আন্দোলন: উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ, ছালাতুর রাসূল (ছাঃ), সীরাতুর রাসূল (ছাঃ), তাফসীরুল কুরআন ও আক্বীদা ইসলামিয়াহ। তাঁর লেখা ধর্ম, সমাজ, রাজনীতি ও শিক্ষা সংস্কার বিষয়ে গভীর গবেষণাধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে।

তিনি আহ্বান জানান—

“আসুন! পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে জীবন গড়ি।”

এভাবেই ড. আসাদুল্লাহ আল-গালিব আধুনিক যুগে বিশুদ্ধ ইসলামী চিন্তা ও সমাজ সংস্কারের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছেন।

হাদীস ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ
হাদীস ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ

হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ কর্তৃক পরিচালিত পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক গবেষণা ও প্রকাশনা সংস্থা। নির্ভেজাল তাওহীদ ও ছহীহ সুন্নাহ্র আলোকে সমাজকে ঢেলে সাজানোর লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯২ সালে সংস্থাটির পথচলা শুরু হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব। সংস্থাটির অধীনে নিয়মিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বইসমূহ প্রকাশিত হয়। এর অধীনে হাদীছ ফাউণ্ডেশন শিক্ষা বোর্ড, দারুল ইফতা, মাসিক আত-তাহরীক পত্রিকা, আত-তাহরীক অনলাইন টিভি, বিশিষ্ট আলেমদের অডিও-ভিডিও ইত্যাদি নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হয়। এছাড়া বিভিন্ন দাওয়াতী লিফলেট, দেওয়ালপত্র, প্রচারপত্র ইত্যাদি নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হয়।

রিভিউ ও রেটিং

0.0
0টি রিভিউ
5
0
4
0
3
0
2
0
1
0
রিভিউ লিখতে লগইন করুন

এখনো কোনো রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউ দিন!

প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন করতে লগইন করুন

এখনো কোনো প্রশ্ন করা হয়নি। প্রথম প্রশ্ন করুন!

হাদীস ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক প্রকাশিত

এই প্রকাশনীর সব বই দেখুন
রিয়া সৎ আমলের নীরব ঘাতক 10%
ছাড়
রিয়া সৎ আমলের নীরব ঘাতক
<p><br></p>

ড. নূরুল ইসলাম · হাদীস ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ

৳ 85 ৳ 77
অযুত ফুলের ঘ্রাণ 10%
ছাড়
অযুত ফুলের ঘ্রাণ
<p><br></p>

হাদীস ফাউণ্ডেশন গবেষণা বিভাগ · হাদীস ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ

৳ 120 ৳ 108
গোপন পাপ 8%
ছাড়
গোপন পাপ
<p><br></p>

আব্দুল্লাহ আল মারুফ · হাদীস ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ

৳ 65 ৳ 60
সালাফী দাওয়াতের মূলনীতি 5%
ছাড়
সালাফী দাওয়াতের মূলনীতি
নতুন দাম

শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ আল-উসাইমিন রাহিমাহুল্লাহ · হাদীস ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ

৳ 65 ৳ 62
কাদিয়ানী মতবাদ 5%
ছাড়
কাদিয়ানী মতবাদ

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব · হাদীস ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ

৳ 50 ৳ 48
দ্বীনের পথে আত্মত্যাগ 5%
ছাড়
দ্বীনের পথে আত্মত্যাগ

আব্দুল্লাহ আল-মা'রুফ · হাদীস ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ

৳ 120 ৳ 114
জিহাদ ও ক্বিতাল 5%
ছাড়
জিহাদ ও ক্বিতাল
নতুন দাম

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব · হাদীস ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ

৳ 70 ৳ 67
ইসলামে নারীর পর্দা 5%
ছাড়
ইসলামে নারীর পর্দা
নতুন দাম

মুহাম্মাদ আব্দুর রহীম · হাদীস ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ

৳ 35 ৳ 33
ধন-সম্পদ প্রয়োজনীয়তা ও অপব্যবহারের পরিণতি
ধন-সম্পদ প্রয়োজনীয়তা ও অপব্যবহারের পরিণতি
নতুন দাম

ড. মুহম্মদ সাখাওয়াত হোসাইন · হাদীস ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ

৳ 80
সাবলীল উপস্থাপনা ও বক্তৃতা 5%
ছাড়
সাবলীল উপস্থাপনা ও বক্তৃতা

আবু রায়হান · হাদীস ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ

৳ 90 ৳ 86
মাদ্রাসা মেরামতের আবেদনপত্র 5%
ছাড়
মাদ্রাসা মেরামতের আবেদনপত্র

সারওয়ার মিছবাহ · হাদীস ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ

৳ 100 ৳ 95
কালাপানি : আন্দামানে নির্বাসিত আলেমদের আত্মত্যাগের বিস্ময়কর কাহিনী 5%
ছাড়
কালাপানি : আন্দামানে নির্বাসিত আলেমদের আত্মত্যাগের বিস্ময়কর কাহিনী

মাওলানা জাফর থানেশ্বরী · হাদীস ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ

৳ 100 ৳ 95
সাহায্য চ্যাট

আসসালামু আলাইকুম! আমি ওয়াহিদীয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরীর সহায়ক। আমি কীভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি?