১৫ ডিসেম্বর ১৯৮১ সালে লক্ষ্মীপুরে জন্মগ্রহণকারী শায়খ আহমাদুল্লাহ বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার, বিদগ্ধ আলোচক, লেখক ও খতিব, যিনি দারুল উলূম হাটহাজারীসহ স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে জাতীয় মেধাতালিকায় শীর্ষস্থান অর্জনের মাধ্যমে পড়াশোনা ও ইফতা সম্পন্ন করেছেন। মিরপুরে শিক্ষকতা ও খতিবের দায়িত্ব পালনের পর আরবী ভাষায় বিশেষ দক্ষতার কারণে তিনি সৌদি আরবের দাম্মামে দীর্ঘ প্রায় দশ বছর দাঈ ও অনুবাদক হিসেবে কাজ করেন এবং দেশে ফিরে শিক্ষা, সেবা ও দাওয়াহ—এই তিন বিভাগে কাজের লক্ষ্যে স্বনামধন্য ‘আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেন। টিভি চ্যানেল ও উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্মে সাবলীল আলোচনার পাশাপাশি তিনি লেখালেখিতেও অত্যন্ত সক্রিয়; তাঁর রচিত ও সম্পাদিত ‘সকাল সন্ধ্যার দু’আ ও যিকর’, ‘রমাদান প্ল্যানার’, ‘উমরাহ কীভাবে করবেন’ এবং ‘তারাবীহর সালাতে কুরআনের বার্তা’সহ অসংখ্য বই, পুস্তিকা ও প্রবন্ধ দেশে-বিদেশে পাঠকমহলে বিপুল সাড়া জাগিয়েছে। বহুমুখী সেবামূলক ও গবেষণাধর্মী কাজের মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষের আস্থা অর্জন করা এই গুণী আলেম ইতোমধ্যেই এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার দুই ডজনেরও বেশি দেশে আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে ইসলামের প্রসারে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখে চলেছেন।
শায়খ আহমাদুল্লাহ বাংলাদেশের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার, আলোচক, লেখক এবং সমাজসেবক। তিনি সুপরিচিত দাতব্য সংস্থা 'আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন'-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, যার মাধ্যমে তিনি দেশব্যাপী দুর্যোগে ত্রাণ বিতরণ, দরিদ্রদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নানামুখী মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন। কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে অত্যন্ত মার্জিত, সাবলীল ও পরিমিত আলোচনার জন্য তিনি ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের কাছে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মাঝে ব্যাপক সমাদৃত। সৌদি আরবের একটি ইসলামিক সেন্টারে দীর্ঘ সময় দাঈ হিসেবে কাজ করার পর তিনি বর্তমানে দেশে ফিরে এসে ইসলামি দাওয়াহ, লেখালেখি, বিভিন্ন প্রশ্নের ফতোয়া প্রদান এবং আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিবেদিত রেখেছেন।ে।